Follow the rules of building regulation                Pay tax regularly                Keep Your Town Clean                Prevent the Wastage of Water                Put Solid Waste at the Particular Place                Entry the new born Child                Plant more Tree and make sound the Environment                Emergency Contact: Fax 08626-71250, Phone: 0862671250/0862672092                E-mail Address: sreemangalmunicipality@gmail.com/sreemangalmunicipality@yahoo.com               

Land Use Management
 

ভূমিকা
(Introduction)
 


প্রেক্ষাপট
Background

দ্বিতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্প (ইউজিআইআইপি-২) বা Second Urban Governance and Infrastructure Improvement (Sector) Project (UGIIP-2) এর আওতায় নগর পরিচালন উন্নতিকরণ কর্ম-পরিকল্পনা বা Urban Governance Improvement Action Plan (UGIAP) এর প্রথম পর্যায়ে ৭টি কর্ম তৎপরতার মধ্যে 'জেন্ডার এ্যাকশন প্ল্যান' (GAP) ও দারিদ্র্য হ্রাসরকরণ কর্ম-পরিকল্পনা বাPoverty Reduction Action Plan (PRAP) ইত্যাদিসহ পৌরসভা উন্নয়ন পরিকল্পনা অর্থাৎ Pourashava Development Plan (PDP) এবং Land Use Management Plan প্রণয়ন একটি অন্যতম শর্ত। এরই ধারাবাহিকতায় শ্রীমঙ্গল পৌরসভা Land Use Plan তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ভূমি ব্যাবহার পরিকল্পনা (Land Use Plan)
ভূমি ব্যাবহার পরিকল্পনা, বসবাস যোগ্য পরিবেশ তৈরির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ভূমি ব্যাবহার পরিকল্পনা হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া যার উদ্দেশ্য হলো ভূমির সর্বোচ্চ ব্যাবহার নিশ্চিত করা এবং সাথে সাথে এর রক্ষানাবেক্ষন করা। অন্যভাবে বলা যায় ভূমি ব্যাবহার পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হলো জমির সর্বোচ্চ ব্যাবহার নিশ্চিত করা যা পরিবেশগতভাবে এবং সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য। শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সর্বোচ্চ ব্যাবহার নিশ্চিত করতে অত্র প্রতিবেদনে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফিঙ্ করা হয়নি। প্রতিবেদনে ভবিষ্যতে জমির ভূল ব্যাবহার এড়াতে কিছু দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

উদ্দেশ্য (Objective)ঃ
১. শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ভূমির সর্বোচ্চ ব্যাবহার নিশ্চিত করা।
২. শহরের পরিকল্পিত নগরায়ন নিশ্চিত করা।
৩. পৌরসভার নাগরিকদের সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করা।
৪. শ্রীমঙ্গল শহরকে একটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলতে হবে।


ভূমি ব্যাবহার পরিকল্পনা তৈরির পদ্ধতি (Methodology) :
স্বল্প সময়ের মধ্যে ভূমি ব্যাবহার পরিকল্পনা তৈরি করা একটি চ্যালেঞ্জেই বটে। এক্ষেত্রে সময় স্বল্পতার কারনে সেকেন্ডারী জরিপ থেকে প্রয়োজনীয় উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে ম্যাপগুলি প্রাথমিক জরিপের মাধ্যমে হালনাগাদ করা হয়েছে।

ভূমি ব্যাবহার পরিকল্পনা তৈরিতে সীমাবদ্ধতা (Limitation) :
 স্বল্প সময়
 পর্যাপ্ত কারিগরি দক্ষতা অভাব।
 অথনৈতিক বাধ্যবাধকতা।




শ্রীমঙ্গল শহর এর ভূমির ব্যবহার (Land use)
২.৫৮বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট শ্রীমঙ্গল পৌরসভার বেশীর ভাগ এলাকায় এখনও উন্নয়নশীল পরিবেশ বিদ্যমান। পৌরসভার কতিপয় ওয়ার্ড ব্যতিত বেশীর ভাগ উন্নত। কোন কোন মহল্লার মধ্যেই নির্ধারিত কাঁচা/পাকা রাস্তা/ফুটপাথ রয়েছে। তবে রাস্তা/ফুটপাতের মান উ্‌ন্নয়নের প্রয়োজন। FGD থেকে আরও স্পষ্ট হয়েছে যে, ঐ সব ওযার্ডে ড্রেন, সড়কবাতি, পানি সরবরাহ ইত্যাদি মৌলিক পৌর সুবিধা অভাব রয়েছে। অন্য দিকে এ সব ওযার্ডের বাইরে অধিকাংশই কৃষি জমি, চা বাগান অথবা আনারস বাগান অথবা অনাবাদি পতিত জমি। শ্রীমঙ্গল পৌরসভার বেশীরভাগ জমি উচু হওয়ার ফলে এখানে বন্যা হয় না। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে মাঝে মাঝে শহরের জলাবদ্ধতার সৃস্টি হয়। এ ছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়না বললেই চলে। কাজেই শ্রীমঙ্গল পৌর এলাকা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি না থাকায় বেসকারী উদ্যোক্তাগণ এখানে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত হচ্ছে।

 
ক্রমিক নং হোল্ডিং-এর ধরণ হোল্ডিং সংখ্যা
১। সরকারী (আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প কারখানা, অন্যান্য) ২৬
২। বে-সরকারী (আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প কারখানা, অন্যান্য) ১৯৭৬
  মোট ২০০২

 


নিষ্কাশন ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (Drainage & Environmental Management Plan)
 সুষ্ঠু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নির্মাণ করে জলাবদ্ধতা প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হবে এবং বাসযোগ্য ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক সরকারী বিধি বিধান ও নীতি কার্যকর করা হবে।
 এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য জলাবদ্ধতা থেকে শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শহরের বাসযোগ্য ও সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখা।


যাতায়াত ও যানবাহন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (Transport & Traffic Management Plan)
 শহরের অভ্যন্তরে যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ ও কার্যকর করা এবং বাইরের সঙ্গে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা।
 এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য যাতে শহরের মানুষ সহজে শহরের মধ্যে চলাচল করতে পারে এবং বাইরের সঙ্গে সুষ্ঠু যোগযোগ করা যায়।


 

 


নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা

এলজিইডির আওতায় উপজেলা শহর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের উপরোক্ত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে যা শীঘ্রই সমাপ্ত হবে। অত্র PDP'র আওতায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে যে সকল উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করা হবে তা যাতে উক্ত মহাপরিকল্পনার সাথে সাংঘর্ষিক না হয় সে দিকে বিবেচনা করে সাব - প্রজেক্ট ডিজাইন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। UGIIP-II এর আওতায় নিযুক্ত পরামর্শকগণ ও শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগকে এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।

উদ্ভুত বিষয় ও গুরুতব
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কোন নদী নেই। দুই একটি ছড়া আছে যা পানি নিষ্কাশনের কাজে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে এই সব ছড়ার সাথে আবাসিক ও শিল্প কারখানার দুষিত পানির সংযোগ থাকায় এখানে Surface Water ব্যবহারের কোন সুযোগ নেই। আবাসিক, বানিজ্যিক, শিল্প ও কৃষি কর্মের জন্র প্রয়োজনীয় পানির একমাত্র উৎস ভূগর্ভস্থ পানি। বিভিন্ন জরিপ থেকে জানা গেছে এখানে যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হলেও কেউ বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে না। খ ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক নেই তবে পানিতে আয়রন আছে। শ্রীমঙ্গল পৌরসভাকে আপাততঃ ভূগর্ভস্থ পানির উপরই নির্ভর করতে হবে। তবে পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আউটফল হিসাবে উক্ত পৌরসভার মধ্যকার ছড়া সমূহের সংযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে হবে। এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে, বর্ষা মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকায় দীর্ঘ্যদিন পানি জমে জন দূর্ভোগ সৃষ্টি করে। FGD ও Ward Visioning অনুশীলনের পানি নিষ্কাশনের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয় সুপারিশ করা হয়েছে। সাব - প্রজেক্ট প্রণয়ন কালে এ সব বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে। শ্রীমঙ্গল পৌরসভা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া বিভিন্ন প্রকার ফল চাষের উপযোগী। এখানকার মাটির রং লাল ও উর্বর। এখানে প্রচুর পরিমানে চা জন্মে। এ ছাড়া এখানে প্রচুর আনারস, অন্যান্য ফলমূল ও শাক -সবজি চাষ হয়।

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার বিবরণ
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার বেইজ লাইন জরিপের তথ্যনুযায়ী এখানে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প এবং কিছু সংখ্যক বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া খুচরা বিক্রয় কেন্দ্র এবং পাইকারী বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। এসবের মাধ্যমে নাগরিকদের কর্ম সংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য সুবিধাদির মধ্যে একটি রেল ষ্টেশন, একটি টেলিফোন এঙ্চেঞ্জ, ডাকঘর, সেলফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা রয়েছে। অফিস, বানিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১০০% বিদ্যূৎ সংযোগ আছে। স্বাস্থ্য সেবার জন্য ১টি সরকারী হাসপাতাল, বেশ কয়েকটি বেসরকারী হাসপাতাল, এ ছাড়া শ্রীমঙ্গল পৌরসভায় কয়েকটি বেসরকারী সংস্থা NGO কাজ করছে। দু'একটি বাদে সকল NGO ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

নর্দমা ব্যবস্থাপনা
শ্রীমঙ্গল পৌরসভায় প্রয়োজনীয় এবং সমন্বিত নর্দমা ব্যবস্থা নেই। পৌর এরাকায় কোন নদী নেই, দুটি
মাত্র রয়েছে। এ দুটি খালে কিছু কিছু ড্রেনের সংযোগ দেওয়া হলেও অধিকাংশ ড্রেন নিচু এলাকার সাথে সংযুক্ত করা আছে।
মূখ্য বিষয়/সমস্যা:
(১) পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও দূষিত পানি নিষ্কাশনের জন্য সুষ্ঠু ও দীর্ঘ্য মেয়াদী পরিকল্পনার অভাব
(২) বিদ্যমান ড্রেন ও আউটফলের মধ্যে সমন্বয়ের ব্যবস্তা নেই এবং
(৩) আর্থিক অবস্থার কারণেO&M যথাযথ ভাবে হয় না।

রাস্তা, পরিবহন ও যোগযোগ সুবিধার বিদ্যমান অবস্থা
শ্রীমঙ্গল পৌরসভা বাংলাদেশের অন্যতম পৌরসভা হলেও পৌর এলাকার যোগযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা নগরবাসীর চলাচলের জন্য মান সম্মত নয়।


রাস্তা, পরিবহন ও যোগযোগ সুবিধা


মূখ্য বিষয়/সমস্যা :
১. প্রয়োজনের তুলনায় রাস্তা ও সেতু/কালভার্টের পরিসাণ কম;
২. পৌরসভার রাস্তা, সেতু কালভার্ট উন্নয়নের জন্য দীর্ঘ্য মেয়াদী পরিকল্পনা নেই;
৩. পর্যাপ্ত অর্থের অভাব রয়েছে;
৪. জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার অভাব বিদ্যমান;
৫. বাসষ্ট্যান্ড নেই;
৬. কোন ট্রাক টার্মিনাল নেই;
৭. পৌরসভার কোন গণ- পরিবহন সুবিধা নেই;

 

 

 

ভূমি ব্যবহার এর বর্তমান অবস্থা

শ্রীমঙ্গল পৌরসভা এলাকার ভূমি ব্যবহার মূলত আবাসিক, বানিজ্যিক, প্রাতিষ্ঠানিক এবং খোলা (ঙঢ়বহ ঝঢ়ধপব) এই ৪ ধরনের শ্রেনীর মধ্যে পড়ে। এর মধ্যে আবাসিক ধরনের ভূমি ব্যাবহারই বেশি।
 পৌরসভার আবাসিক এলাকা বলতে শ্যামলী আ/এ, মাষ্টারপাড়া, পূর্বাশা আ/এ, শাপলাবাগ আ/এ, শান্তিবাগ আ/এ, ধানসিড়ি আ/এ, জয়নগর আ/এ, এলাকাই উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও পৌরসভায় বিভিন্ন জায়গায় বস্তি বা ক্লাষ্টার রয়েছে।
 পৌরসভা এলাকায় বানিজ্যিক কর্মকান্ড মুলত ষ্টেশন রোড, হবিগঞ্জ রোড, সেন্ট্রাল রোড এবং মৌলভীবাজার রোডের পাশেই বেশি বানিজ্যিক এলাকা হিসাবে বিবেচিত হয়।
 পৌরসভায় চারটি প্রধান রোড আছে। এগুলি হলো -
ষ্টেশন রোড
হবিগঞ্জ রোড
মৌলভীবাজার রোড
কলেজ রোড এবং
ভানুগাছ রোড
উকলিবাড়ি রোড

রাস্তাগুলি শ্রীমঙ্গল শহরকে অন্যান্য শহরের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করেছে। এছাড়াও সেকেন্ডারি রোড হিসাবে পুরানবাজার রোড, গুহ রোড, মিশন রোড, সাগরদীঘি রোড, উকিলবাড়ী সড়ক উল্লেখযোগ্য। রাস্তাগুলির অবস্থা (Situation) মোটামুটি সন্তোষজনক।
 পৌরসভার দক্ষিণে একটি রেল ষ্টেশন রয়েছে। ষ্টেশনটি বেশ বড় জায়গা দখল করে আছে। পৌরসভার নিজস্ব কোন বাস ষ্ট্যান্ড নেই।
 পৌরসভার চৌমহনা শহরের প্রাণ কেন্দ্র এর পাশেই মূলত শহরের অফিস এবং বানিজ্যিক কেন্দ্র অবস্থিত।


পৌরসভার ভূমি ব্যবহার সবসময়ই বিচিত্র। শ্রীমঙ্গল পৌরসভায় কোন শিল্পাঞ্চল না থাকায় এই পৌরসভার ভূমির ব্যবহার আবাসিক, বানিজ্যিক, প্রতিষ্ঠানিক কর্মকান্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

 

 

ভবিষ্যতে ভূমি ব্যাবহারের ধারা
(Trends of Future Land use)

ভবিষ্যতের ভূমি ব্যাবহারের ধারা সম্পর্কে আলোচনা করা কঠিন। ভূমি ব্যাবহারের ভবিষ্যৎ ধারা সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য পৌরসভার প্রকৌশল শাখার স্টাফদের নিয়ে একটি ওয়ার্কসপ পরিচালনা করা হয়। ওয়ার্কসপ থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নিচে আলোচনা করা হলো:

α পৌরসভা উত্তর পূর্ব দিকে কলেজ রোড এলাকা দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।
α পশ্চিম দিকেও পৌরসভার দ্রুত বর্ধন হচ্ছে। অধিকাংশ ফাঁকা জায়গাগুলির দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে।
α পৌরসভার দক্ষিন পার্শ্বে এলাকায়ও দ্রুত বাড়ী ঘর নির্মান চোখে পড়ার মত। এলোমেলো বাড়ী ঘরগুলির উন্নয়ন হওয়ায় ভবিষ্যতে এলাকাগুলি বসবাসযোগ্য থাকবে না বলে অনেক মনে করেন।
α শ্রীমঙ্গল পৌরসভায় সীমানার মধ্যে কিছু চা বাগান রয়েছে, যা পর্যটকদের অন্যতম আকর্যণ। এই সমস্ত চা বাগানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চা শ্রমিক কাজ করে। চা শ্রমিকদেও জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা উচিত।
α পৌরসভার পূর্বে দক্ষিণে রয়েছে ভূড়ভুূরিয়া ছড়া, এই ছড়ার সংলগ্ন এলাকা ভাঙ্গনের সম্মুখীন এখানে গাইড ওয়াল নির্মাণ করা অতীব জরুরী।
α পৌরসভায় বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বলতে কিছু দোকান কাঁচা বাজার এবং ব্যাংকই বুঝায়। পৌরসভার মুল বানিজ্যিক এলাকা গড়ে উঠেছে মৌলভীবাজার রোড, হবিগঞ্জ রোড, কলেজ রোড, ষ্টেশন রোড।
α খোলা জায়গা বা Open Space পরিমান পৌরসভায় একেবারে কম।
α পৌরসভায় বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য জলাধার রয়েছে। পৌর মালিকানায়ও বেশ কয়েকটি বড় পুকুর রয়েছে যেমন সাগরদীঘি পুকুর এছাড়া পৌরসভার মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ভূড়ভূরিয়া ছড়া।

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ভূমির শ্রেনী বিন্যাস বাড়লে দেখা যায় যে এখানে প্রধান ধরনের জমির ব্যবহার দেখা যায় তা হলো -

১. আবাসিক। ২. বানিজ্যিক।
৩. প্রাতিষ্ঠানিক। ৪. খোলা জায়গা।

বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন এই যে শ্রীমঙ্গল পৌরসভায় কোনো ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ভূমি ব্যবহার দেখা যায় না। পৌরসভার মধ্যে খোলা রেলওয়ে এর জায়াগা দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আবাসিক এলাকাগুলি হয়ে পড়ছে ঘিঞ্জি। কিছু কিছু ওয়ার্ডে বস্তির সংখ্যা বাড়ছে, কমছে না। এমতাবস্থায় Land Use Control করতে পৌরসভার বিশেষ ভূমিকা পালন করা দরকার।

 


ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা ও সুপারিশ :
(Future Likely Land Use)
ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা বসবাসযোগ্য শহরের পূর্ব শর্ত। ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা না থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের বসবাস হয়ে উঠছে অসহনীয়। শ্রীমঙ্গল পৌরসভার জন্যে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা এই মুহুর্তে একটি চ্যালেঞ্জই বটে। একদিকে যেমন ছড়া দখলের পয়তারা চলছে অন্যদিকে চলছে রেলওয়ের জমি দখলের মহোৎসব। আবার সাথে যোগ হয়েছে হাউজিং কোম্পানীগুলির খাস জমি দখলের প্রতিযোগীতা যাদের সামনে প্রশাসনও নতজানু। এমতবস্থায় শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ভূমির ব্যবহার এর পরিকল্পনা ও নিম্নোক্ত সুপারিশ প্রদান করা হলো :

১. পৌরসভার উত্তর - পূর্বাংশে বিশেষ করে ৯নং ওয়ার্ডে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এগুলির মধ্যে শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজ, দি বাডস রেসিডেন্সিয়্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় শ্রীমঙ্গল উদয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। লোকজন ইতিমধ্যে এই এলাকায় জমি কেনা শুরু করেছে। জমির এখানে দাম বাড়ছে। পৌরসভা নিজে এই এলাকায় Housing প্রকল্প গ্রহন করতে পারে এখনই পৌরসভার উচিৎ এই এলাকায় Zoning Development Control করা। পরিকল্পিত উপায়ে ভূমি ব্যহার করার প্রস্তাবনা তথা দিক নির্দেশনা দেয়া হলো:

অভিযোগ রয়েছে যে পৌরসভায় যে বাড়ীঘর নির্মান হয় তাও পৌরবিধি মেনে হয় না। ফলে যত্রতত্র ঘর বাড়ী নির্মান হওয়ায় মানুষজন ঘর থেকে বের হওয়ার রোড পায় না।

পৌরসভায় প্রায় ১৫টি বস্তি এবং ক্লাষ্টার রয়েছে। তাদের আবাসন ব্যবস্থা সন্তোষজনক নয়। অধিকাংশ বস্তিগুলিই সরকারী জমি দখল করে গড়ে উঠেছে। বেশীর ভাগ বস্তির স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভালো না। বস্তির মানুষেরা শুধু অস্বাস্থকর পরিবেশেই বাস করে না তারা আশপাশের এলাকাকেও করছে দূষিত। এমতবস্থায় বস্তির মানুষের আবাসনের ব্যবস্থার জন্যে বিশেষ প্রোগ্রাম হাতে নেয়া যেতে পারে।

 পৌরসভার চৌমহনায় মূলত বানিজ্যিক কর্মকান্ড বিস্তৃত এছাড়া সাগরদীঘি পুকুর পাড়ের গরুর হাঁটের পাশে এবং পোষ্ট অফিস রোড, সেন্ট্রাল রোড এর পাশে কিছু বানিজ্যিক কর্মকান্ড দেখা যায়। বানিজ্যিক কর্মকান্ড বলতে আসলে কিছু দোকান পাট এবং কাঁ চাবাজার ও ব্যাংকিং কর্মকান্ড বুঝায়।
 পৌরসভায় খোলা জায়গা বা ওপেন স্পেস রয়েছে। ৯নং ওয়ার্ডে কিছু পরিমানে খোলা জায়গা রয়েছে যা শিশু পার্কেও জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
 পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী ভূড়ভূরিয়া ছড়া ও শাখামুরা ছড়া সঠিক এবং যথাযথ ভূমি ব্যবহার পরিকল্পা না থাকায় এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় শ্রীমঙ্গলের ছড়া দখল হয়ে যাচ্ছে।
 পৌরসভার নিজস্ব একটি পুকুর রয়েছে। পুকুরটি সংরক্ষনে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।
 আবাসিক এলাকাগুলিকে (শ্যামলী, মাষ্টারপাড়া, জয়নগর আ/এ, কলেজ রোড) আবাসিক এলাকা হিসাবে ঘোষনা করে সেখানে পৌরবিধি না মেনে যারা অবকাঠামো তৈরী করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।
 পৌরসভার উত্তর - দক্ষিন বরাবর রেল লাইন আছে এবং রেলের অনেক সম্পত্তি আছে। রেল লাইনের পাশের বস্তিগুলিকে রি - সেটেল করে রেল লাইনের জায়গা দখলমুক্ত করতে পারলে এবং ডেজিটেশন প্রোগ্রাম হাতে নিলে শহরে যে পরিমান বৃক্ষ প্রয়োজন সেই চাহিদা পুরন হতে পারে।

 

 

উপসংহার :
পৌরসভা স্থাপনের ৩ বছরের মধ্যে পৌরসভার Master Plan করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। শ্রীমঙ্গল পৌরসভা ১৯৩৫ সালে সহাপিত হলেও এখনও এর পূর্ণাঙ্গ কোনো Master Plan বা Land use Plan তৈরি করা হয় নি। তবে UTIIP প্রকল্পের আওতায় শ্রীমঙ্গল পৌরসভার Master Plan এবং খধহফ ঁংব চষধহ তৈরির প্রচষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অত্র প্রতিবেদন Land use Plan তৈরি করার বদলে Land use Plan প্রণয়নের একটি দিক নির্দেশনা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

 
 
 
 

 

 

RECENT NEWS
FEATURED PHOTO

দক্ষিন কোরিয়ার Hope Bridge & DAHAM Volunteer Organization এর সদস্যবৃন্দের সাথে কিশোরী ক্লাবের নিকট থেকে উত্তরীয় গ্রহন করছেন পৌর মে

অতিথিদের শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করছেন পৌর মেয়র জনাব মোঃ মহসিন মিয়া

FEATURED VIDEO

Tea Garden, Sreemangal, Bangladesh

BEAUTIFUL PLACE

Sreemangal

is the place of tea gardens, hills and forest areas on...Read more...